ব্রেকিং নিউজ
Search

সঞ্চয়পত্রের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উঠেছে পোষ্টমাষ্টার নূর করিম এর বিরোদ্ধে

77

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীতে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক পোস্ট মাস্টারকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে দুদক।যদিও দুদকের প্রাথামিক জিজ্ঞাসাবাদে সে প্রায় ৫কোটি টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করে।বর্তমানে দুদক বিষয়টি তদন্ত করছে।

নোয়াখালী জেলার চাটখিলের খিলপাড়া বাজার পোস্ট অফিস শাখার পোস্টমাস্টার নূর করিমের বিরুদ্ধে গ্রাহকের আমানতের বেশ কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় মঙ্গলবার (৯ জুলাই) তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে দুদুক।দুদক, নোয়াখালী সূত্রে জানা যায়, আসামী চাটখিলের খিলপাড়া বাজার পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার নূর করিম দীর্ঘ আঠার বছর ধরে একই অফিসে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় গ্রাহকরা পোস্ট অফিসে এফডিআর, রেমিটেন্স,সঞ্চয়পত্র,সঞয়ী ব্যাংকের আমানতের টাকাসহ বিভিন্ন খাতের প্রায় কয়েক কোটি টাকা জমা রাখে।হিসাবের গরমিলের কারণে ও স্থানীয় গ্রাহকদের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা পোস্ট অফিস ঘটনা প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত পোস্ট মাস্টারকে গত ২০ জুন চাটখিল থানা সোপর্দ করে তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা করে।

এ ঘটনাটি দুদক অনুসন্ধান চালিয়ে সত্যতা পেয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৬নং আমলি আদালতে আজ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এই মামলায় আজ মঙ্গলবার থেকে অভিযুক্ত পোস্ট মাস্টারকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে দুদুক।দুদক নোয়াখালীর সহকারি পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা সুবেল আহমেদ বার্তা টোয়েন্টিফোর.কম কে জানান, রিমান্ডের প্রথম দিনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আসামী স্বীকার করেন,সে বিভিন্ন সময়ে পোস্ট অফিসের গ্রাহকদের এ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাত করেছে।

এর মধ্যে তার খালাতো বোন সেলিনা আক্তারের নামে ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকার জমি কিনে।ছেলেকে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয় করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়। সাহেদা আক্তার নামে এক ওমান প্রবাসীর স্ত্রীর নামে খিলপাড়া বাজারে ২৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জমি ক্রয় করে। এছাড়াও বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের নামে ও বেনামে প্রচুর সম্পদ ক্রয় করে।

নোয়াখালী ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, একজন গ্রাহকের অভিযোগের প্ররিপেক্ষিতে তাকে অন্যত্র বদলি করলেও সে তার পুরুনো কর্মস্থল ছেড়ে যেতে রাজি না হলে বিষয়টি সন্দেহ হয়। পরে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসলে তাকে পুশিশে সোপর্দ করা হয় এবং তার নামে মামলা দায়ের করা হয়।

Facebook Comments